চোখের যিনা থেকে বাচতে এই Tricks টি Follow করতে পারেন।
• Newsfeed Preferenfe Edit করা
• Menu>Page>Liked Page> Unlike all page
• Like Some Islamic Scholars ID & Page
• Go to your profile>See your about info
• জাদের Following করা, তাদের Unfollow করা।
• জেসব Group এ Add আছেন, তা থেকে leave নেয়া।
• Like দেয়া পেইজকে unlike & unfollow করা।
• কেউ খারাপ Story দিলে, Story র উপরের দিকে menu option থেকে তাকে mute করে দেয়া।
নিম্নের Video তে বিস্তারিত দেখানো হলো:
Background Music: The Way Of The TearsEasily Edit Your Facebook Newsfeed!
কোন একদিন সকালে উঠে যদি দেশবাসী দেখে যে 'অভিভাবকহীন' হয়ে গেছে রাতের অন্ধকারে সবাই তল্পিতল্পাসহ পালিয়ে যাওয়ায়, আমাকে কেউ ঘুম থেকে ডেকে তুলে খবরটা দিও অন্তত।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সেই দিনটি হয়তো বেশিদূরে না।
Another Story of Muead
বাদ্যযন্ত্র কেনাবেচা বৈধ – আবু হানীফা।
ইমাম ইবনে আবেদীন তার বিখ্যাত হাশিয়া-তে বলেন :
وهذا يفيد أن آلة اللهو ليست محرمة لعينها ، بل لقصد اللهو منها ، إما من سامعها ، أو من المشتغل بها ، وبه تُشعر الإضافة ، ألا ترى أن ضرب تلك الآلة بعينها حل تارة وحرم أخرى باختلاف النية بسماعها ، والأمور بمقاصدها ، وفيه دليل لساداتنا الصوفية الذين يقصدون أمورا هم أعلم بها ، فلا يبادر المعترض بالإنكار كي لا يُحرَم بركتهم ، فإنهم السادة الأخيار أمدنا الله تعالى بإمداداتهم ، وأعاد علينا من صالح دعواتهم وبركاتهم
“এর মাধ্যমে বোঝা গেল, বিনোদনের বাদ্যযন্ত্র স্বয়ং হারাম নয়। বরং বিনোদনের উদ্দেশ্যে যদি শ্রোতা কিংবা চর্চাকারী এটা করে, তখন হবে। বাদ্যযন্ত্র শব্দের সাথে বিনোদন শব্দ যোগ করা থেকে এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তুমি কি দেখছ না যে এই বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা কোন কোন ক্ষেত্রে হালাল হচ্ছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে হারাম হচ্ছে বাদ্য শ্রবণের ভিন্নতার কারণে? মূলত সকল কাজ বিবেচ্য তার লক্ষ্য অনুযায়ী। সুতরাং এতে আমাদের সুফি মাশায়েখদের জন্য দলিল আছে। তারা বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে যে লক্ষ্য অর্জন করতে চান সে সম্পর্কে তারাই সবার চেয়ে ভাল জানেন। তাই কেউ তাদের বিরুদ্ধে যেন আপত্তি তুলে তাদের বরকত থেকে বঞ্চিত না হয়। তারা হলেন শ্রেষ্ঠ ও মহান ব্যাক্তিত্ব। আল্লাহ তাদের এমদাদ দ্বারা আমাদেরকেও মদদ করুন। তাদের নেক দোয়া ও বরকত দ্বারা আমাদেরকেও উপকৃত করুন।” (রদ্দুল মুহতার)
কাসানী তার বাদাই'উস সানাই'-তে বলেন,
ويَجُوزُ بَيْعُ آلاتِ المَلاهِي مِن البَرْبَطِ، والطَّبْلِ، والمِزْمارِ، والدُّفِّ، ونَحْوِ ذَلِكَ عِنْدَ أبِي حَنِيفَةَ لَكِنَّهُ يُكْرَهُ وعِنْدَ أبِي يُوسُفَ، ومُحَمَّدٍ: لا يَنْعَقِدُ بَيْعُ هَذِهِ الأشْياءِ؛ لِأنَّها آلاتٌ مُعَدَّةٌ لِلتَّلَهِّي بِها مَوْضُوعَةٌ لِلْفِسْقِ، والفَسادِ فَلا تَكُونُ أمْوالًا فَلا يَجُوزُ بَيْعُها ولِأبِي حَنِيفَةَ - أنَّهُ يُمْكِنُ الِانْتِفاعُ بِها شَرْعًا مِن جِهَةٍ أُخْرى
“ইমাম আবু হানীফার মতে, বরবত, তবলা, বাঁশি, দফ ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র কেনাবেচা জায়েয, তবে অপছন্দনীয়। কিন্তু আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদের নিকট এগুলো কেনাবেচা আইনী ভাবে শুদ্ধ নয়। কেননা এগুলো পাপাচার, বিশৃংখলার কাজে বিনোদন লাভের উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছে। সুতরাং একে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তাই কেনাবেচা অবৈধ। কিন্তু আবু হানীফা বলেন, শরয়ীসম্মত উপায়ে বাদ্যযন্ত্র থেকে উপকৃত হওয়া সম্ভব।”